হাশরের ময়দানে নামায ত্যাগকারীদের অপমান

নামায
নামায 


হাশরের ময়দানে নামায ত্যাগকারীদের অপমান 

কিয়ামতের দিন যে ভীষন অপনাম নামায ত্যাগকারীদের মাথা পেতে নিতে হবে,তা কুরআন মজীদের একটি আয়াতে এভাবে ইরশাদ করা হয়েছে-

হাশরের ময়দানে নামায ত্যাগকারীদের অপমান



এ আয়াতের সারমর্ম হলো, কিয়ামতের দিন (যখন ভীষন কঠিন সময় হবে, দুনিয়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জন্মলাভকারী সব মানুষ সেখানে একত্রিত হবে) আল্লাহ তাআলার বিশেষ এক দীপ্তিময় বড়ত্বের প্রতাপ প্রকাশিত হবে। তখন ঘোষনা করা হবে,সবাই আল্লাহ তাআলার সামনে সিজদাবনত হও।

ঐসব সোভাগ্যবান ঈমানদার যারা দুনিয়াতে নামায পড়তো,তারা সাথে সাথে সিজদায় পড়ে যাবে।কিন্তু যারা সুস্থ-সবল থাকা সত্বেও নামায পড়তো না,তাদের কোমর তখন তক্তার মতো শক্ত করে দেতা হবে এবং কাফেরদের সাথে দাঁড়িয়ে থাকবে।সিজদা করতে পারবে না।

তাদের প্রতি ভীষন অপমান ও লাঞ্ছনার শাস্তি ছেয়ে যাবে।দৃষ্টি অবনমিত হয়ে যাবে।চোখ তুলে কিছু দেখতেও পারবে না।দযখের শাস্তির পূর্বে লাঞ্ছনার এই শাস্তি হাশরের ময়দানে তাদেরকে ভোগ করতে হবে।আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এ শাস্তি থেকে যেন পরিত্রান দান করেন।

মূলত নামায ত্যাগ কারী ব্যাক্তি এক হিসেবে খোদাদ্রোহী।সুতরাং সে যতই অপমানিত হোক না,যতি লাঞ্ছনা ভোগ করুক আর যত শাস্তিই তাকে দেয়া হোক না কেন,নিশ্চিয় এটা তাঁর প্রাপ্য। সে এর উপযুক্ত।

উম্মতের কোন কোন ইমামের মতে নামায ত্যাগকারী ব্যক্তি ধর্মত্যাগী এবং মুরতাদদের মতো হত্যা করে দেয়ার উপযুক্ত।

প্রিয় পাঠক,
আমাদেরকে ভালো করে বুঝে নিতে হবে যে, নামায ছাড়া ইসলামের দাবী করা অনর্থক ও ভিত্তিহীন।নামায পড়াই ঐ বিশেষ আমল যা আল্লাহ তাআলার সাথে আমাদের সম্পর্ক গড়ে তোলে।আর আমাদেরকে তাঁর রহমত ও দয়াপ্রাপ্তির উপযুক্ত বানিয়ে দেয়।



No comments

Powered by Blogger.