রাসূলের(সাঃ)(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দৃষ্টিতে নামাযী ও বে-নামাযী
![]() |
| নামাযী ও বে-নামাযী |
হাদীসে রাসূল থেকে জানা যায় যে,প্রিয়নবী
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায ছাড়া কে কুফুরী কাজ এবং কাফেরদের সংস্কৃতি
আখ্যা দিতেন।তিনি বলতেন,যারা নামাজ পড়ে না ইসলাম তাদের কোন অংশ নেই।
যেমন সহীহ মুসলিম শরিফে বর্নিত
হয়েছে,
প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-বান্দা এবং কুফুরের
মাঝে পার্থক্যকারী হলো নামায ছেড়ে দেওয়া।(মুসলিম)
অর্থাৎ বান্দা যদি নামায ছেড়ে দেয়,তবে সে যেন
কুফুরীর সাথে মিলে গেল।তার সব কাজ কাফেরদের কাজের মতই হল।কাফের নামাজ পড়ে
না।সুতরাং যে মুসলমান নামায পড়ে না,সে তো কাফেরের মতই নামায ছেড়ে দিল।
অন্য এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে-
যে ব্যাক্তি নামায পড়ে না, ইসলামে তাঁর কোনই
অংশ নেই।(মুসনাদে বাযযার)
নামায যে কত বড় মর্যাদাপূর্ণ আমল! নামায পড়া
কত সোভাগ্যের বিষয়! নামায ছেড়ে দেয়া কত মারাত্মক ধবংস ও কত দুর্ভাগ্যের কথা।আরো
একটি হাদীসে থেকে তা অনুবাদন করা যায়।একদিন রাসুল (সাঃ) নামযের প্রতি গুরুত্বারোপ
করতে গিয়ে ইরশাদ করেন-
যে ব্যাক্তি সদা-সর্বদা মনোযোগ সহকারে নামায
আদায় করবে,কিয়ামতের দিন সেই নামায তাঁর জন্য একটি নূর (আলো) হবে।তার জন্য (তাঁর
ঈমান-ইসলাম) প্রমান হবে এবং মুক্তির কারন হয়ে দাঁড়াবে।
আর, যে ব্যাক্তি মনোযোগ সহকারে এবং সদা-সর্বদা
নামায আদায় করবে না,তার জন্য তাঁর নামায নূরও হবে না,প্রমানও হবে না এবং শাস্তি
থেকে মুক্তির কারনও হবে না,
আর যে ব্যাক্তি কিয়ামতের দিন কারুন,ফেরাউন,হামান
এবং উবাই ইবনে খালফের সাথে থাকবে।
প্রিয় পাঠক!
আমাদের সবাইকে চিন্তা করা উচিত যে, আমরা যদি
সদা-সর্বদা এবং মনোযোগ সহকারে নামায না পড়ি এবং এর অভ্যাস গড়ে না তূলি,তবে আআদেরকে
পরকালে কী পরিণতির সম্মুখিন হতে হবে!

No comments